স্বপ্নের মালাপুঞ্জ

0
819
স্বপ্নের-মালাপুঞ্জ
Print Friendly, PDF & Email

ছোট ছোট দুইটা হাত ধরে দুই ভাই-বোন আমার পাশে হাটতে হাটতে হঠাৎ করে ছোট্ট মুখ তুলে বললো, তোমার কি মন খারাপ? আমি বললাম না-তো, কেন? ছোট বাচ্চা ছেলেটা বললো তুমি খুব চুপ করে আছো তাই। সারারাত ডিউটি করে সকালে বাসায় এসে দুই ঘন্টা ঘুমিয়ে উঠেই গাড়ী নিয়ে বের হয়ে কলেজে যাই। তারপর আবার বাসায় এসেই কিছু খাবার বানিয়ে বাচ্চাদের স্কুলে চলে যাই ওদেরকে আনতে, তাই ক্লান্তি আর ঘুম ঘুম চোখ নিয়ে তুষার ঢাকা পথে চলছি। তুষারের পথ চলতে হয় খুব সাবধানে, তার উপর পুরো রাস্তায় পড়ে আছে ব্লাক আইস, যা খালি চোখে দেখা যায় না। রাস্তাটাকে যত সুন্দর মনে হয় ঠিক ততটাই বিপদজনক। অনেক স্বপ্ন নিয়ে জার্মানী থেকে ইংল্যান্ডে এসেছিলাম নিজে কিছু করবো, নিজের একটা পরিচয় হবে, নিজের পায়ে দাঁড়াবো। দুই চোখ ভরা ছিল শুধুই স্বপ্ন। তাই সংসার আর লেখাপড়া নিয়ে খুব ব্যস্ত থাকতে হত নিজের এই স্বপ্ন পুরনের জন্য।

একদিন আমার স্বপ্ন পুরন হল। স্বামীর চাকরীর কারনে আমরা নতুন শহরে চলে এসেছি। এখানে আসার আগেই আমি আমার পড়াশোনা শেষ করেছিলাম, তাই এসেই নতুন চাকরীতে যোগ দিলাম। সংসার আর চাকরী নিয়ে তখন শুরু হল কঠিন যুদ্ধ। সেদিনও ওই রকম ঝিরি ঝিরি তুষার পাত হচ্ছে বাইরে, আমি স্কুলের গেট দিয়ে বের হয়ে গাড়ীটা স্টার্ট দিয়ে পথে নেমে দেখি সব গাড়ী শামুকের গতিতে চলছে। সময় চলে যায় কিন্ত গাড়ী চলে না। চিন্তায় লেদারের গ্লাবসের মধ্যে আমার হাত বরফের মত ঠান্ডা হয়ে জমে স্টিয়ারিং হুইলকে আরো জোরে আঁকড়ে ধরে ছিল। অবশেষে আমি চাইন্ড মাইন্ডারের বাড়িতে এসে পৌঁছে দেখি জানালার মধ্যে থেকে চারটা ছোট ছোট চোখ আমার দিকে ভয় ও কান্না মিশ্রিত ভাবে অসহায়ের মত তাকিয়ে আছে। আমি চাইন্ড মাইন্ডারকে দেরি হবার জন্য সরি বলে বাচ্চাদের নিয়ে গাড়ী স্টার্ট দিলাম। গাড়ীর মধ্যে শুধু নিশ্বাসের শব্দ। আমি জানতে চাইলাম তোমরা কি কিছু খেয়েছো? ছেলে বললো ‘না’। আমি জানি ওরা বাইরের খাবার খায়-না হালাল-হারামের কথা চিন্তা করে। আমি বাচ্চাদের ধর্মীয় ব্যাপারগুলি শেখানোর চেষ্টা করি। তাই ওরা মুসলিমদের হালাল-হারাম খাবারের ব্যাপারটা জানে।  এজন্য যে কোনও খাবার খাওয়ার আগে সেটা হালাল কিনা ওরা চেক করে দেখে। কোন সন্দেহ থাকলে সেটা খায়-না, তাই আমি চুপ করে গেলাম। এক ঘন্টা পর বাসায় পৌঁছে আগে ওদের খেতে দিলাম। তারপর জানতে চাইলাম কি ব্যাপার? তোমরা এই রকম চুপ করে আছো কেন?

ছেলেটা কেঁদে দিলো, ভাই কাঁদছে দেখে বোনটাও কেঁদে দিল। আমি বললাম কি হল, বল আমাকে? ছেলেটা বললো, আমরা ভয় পেয়েছিলাম যদি তুমি না আসো। বাবাও এখানে নেই, তাহলে আমাদের কি হবে? আমি হতবাক হয়ে গেলাম। ওদের মনের ভয়টা ওদের চোখের মধ্যে দেখে আমি কথা হারিয়ে ফেললাম। নিজের স্বপ্ন পুরনের জন্য যে আমি ছুটছি তার আড়ালে যে ব্যক্তি মা হারিয়ে গিয়েছিল সেটা আমি কিভাবে বুঝতে পারিনি। আমি নিজেকে স্বাভাবিক করে বললাম, কেন আমি আসবো না? রাস্তায় অনেক ট্রাফিক জ্যাম ছিল। বাবা, আমিতো মা। কোনও মা কি তার বাচ্চাকে ভুলে যায়? রাতে ওরা ঘুমিয়ে গেলে অনেকক্ষণ আমি দুইজনের মুখটা দেখলাম। কি নিষ্পাপ দুইটা মুখ, কত অসহায় ওরা। এই সময় ওদের বাবা ফোন করলো, কি খবর জানতে চাইলো। আমি বললাম সব ঠিক আছে, তুমি ভাল থেকো, চিন্তা করনা। ওদের বাবাকে আর বলা হল না ওদের ভয়ের কথা। আমি চাইনি সে সুইজারল্যান্ড বসে মন খারাপ করুক। ওদের বাবা সুইজারল্যান্ডে একটা প্রজেক্ট নিয়ে কাজ করছে। আমি আমার দুইটা বাচ্চাকে নিয়ে এখানে একা থাকি। ওদের বাবা সারাদিন অফিস করে ক্লান্ত থাকে তাই শেয়ার করতে মন চাইলনা। সারারাত অনেক তুষারপাত হল। আমি জানলা দিয়ে বাইরে সাদা তুলার মত তুষার দেখছিলাম আর ভাবছিলাম, আমি কি চাই? আমি কি শুধু আমাকে কেন্দ্র করে যে স্বপ্ন, সেটা পুরন করতে চাই? না-কি আমার চারপাশের মানুষকে নিয়ে আমার স্বপ্ন পুরন করতে চাই? আমি স্কুলে টিচিং এসিস্টেটের চাকরী করি। যেসব বাচ্চাদের সাহায্য দরকার হয় কিন্তু টিচার ক্লাসের তিরিশটা বাচ্চার মধ্যে ওই বাচ্চাদেরকে বেশী লক্ষ করতে পারছে না, আমার কাজ হল সেই বাচ্চাদেরকে সাহায্য করা। যেন ওই বাচ্চাগুলি অন্য বাচ্চাদের থেকে পিছনে পড়ে না যায়। এইজন্য আমরা মাঝে মাঝে বাচ্চাদের বাবা-মা কে ডেকে পাঠাই কারন অনেক সময় দেখা যায় বাচ্চারা তাদের বাবা-মা কে নিয়ে অনেক চিন্তা করে, অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকে। তখন তারা ক্লাসে মন দিতে পারে না। তাই বাবা-মা দের কোনও আচরনে বাচ্চাদের এই নরম মানুসিকতায় যেন চাপ না পড়ে সেই দিকে খেয়াল রাখতে বলি । আর সেই আমিই নিজের বাচ্চাদের মানুসিকতায় যে চাপ পড়ছে এটা কিভাবে ধরতে পারিনি? নিজেকে কেমন অপরাধী মনে হল, খুব অসহায় লাগলো। একটা মা-কে অনেক কিছুই খেয়াল করতে হয়। আমি কেন আমার বাচ্চাদেরকে বুঝতে পারিনি?

 হঠাৎ চোখ গেল জানালার কাঁচের উপর একটা মাকড়সা আর তার জালের দিকে। আমি হাত দিয়ে জালটা ভেঙ্গে দিলাম। যতবার আমি ভেঙ্গে দেই, ও অন্য জায়গায় জাল বোনা শুরু করে। অনেক দিন ধরেই আমার আর মাকড়সার এই ভাঙ্গাগড়ার খেলা চলছে। অনেক ঠান্ডার কারনে মাকড়সাটাকে বাইরে ফেলে দিতেও মন চায় না। তাই ও মন দিয়ে প্রত্যেক বার নতুন জায়গায় নতুন করে জাল বুনতে থাকে। আমি অবাক হয়ে ভাবলাম একটা ছোট পোকা যদি বার বার নতুন করে আবার সব শুরু করতে পারে তাহলে আমি কেন পারবো না? আমি তো মানুষ। আল্লাহ মানুষকে অনেক ক্ষমতা দিয়েছেন তাই ল্যাপটপটা টেনে নিয়ে চাকরি ছাড়ার ইমেইলটা পাঠিয়ে দিলাম। হঠাৎ করেই কেমন একটা স্বস্তি আর মুক্তির স্বাদ পেলাম। 

 আজ সারা দিন অনেক তুষার পড়েছে তাই চিন্তা করছিলাম আজ কি কোনও প্লেন ল্যান্ড করতে পারবে? এরই মধ্যে ফোনটা বেজে উঠলো। ‘আমার মনের মাঝে বইসা আছে’ এই গানটা দিয়ে আমি আমার ফোনের রিং টোন বানিয়েছিলাম। ফোনের এই রিং টোনটা অন্য রকম একটা ভাললাগা নিয়ে বেজে উঠে অথবা মনে হয় বাংলা গান বলেই রিং টোনটা এত ভাল লাগে। প্লেন ল্যান্ড করবে জেনেই গাড়িতে বাচ্চাদের তুলে এয়ারপোর্টের দিকে রওনা দিলাম। ঘন তুষার পড়ে তখন  চারিদিকে হাল্কা একটা সাদা আলো হয়ে থাকে অনেকটা ভরা পূর্নিমার আলোর মতন, তাই  চারপাশটা ঘুটঘুটে অন্ধকার মনে হয় না। গাড়ী জোরে চালানোর কোনও উপায় নেই কারন রাস্তার চারিদিকে অনেক বরফ জমে আছে। যদিও রাস্তায় রকসল্ট দেয়া আছে তারপরও গাড়ী পিছলে যাওয়ার ভয় থাকে। কেউ যদি হঠাৎ করে ব্রেক করে তাহলে পেছনের গাড়ী আস্তে না চললে, সে ব্রেক করলেই গাড়ী পিছলে সামনে অথবা পাশের গাড়ীকে ধাক্কা দিবে। চালক কোনও ভাবেই গাড়ীকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না । এখন আবার বড় বড় সাদা তুলার মত তুষার পড়া বেড়ে গেছে। কিছু গাড়ী পাশ দিয়ে যাবার সময় ফ্ল্যাসদিচ্ছে। আমি কিছুতেই বুঝতে পারছি না, কেন? আমি তো অনেক কম স্পিডে গাড়ী ড্রাইভ করছি, তাহলে সমস্যাটা কি? হঠাৎ করে পেছনের সিট থেকে বাচ্চা ছেলেটা বলে উঠলো, মা তোমার ফ্রন্ট লাইট অন করা নাই। আমি বললাম, কিভাবে বুঝলে? ছেলেটা বললো, তুমি দেখ – রাস্তার সামনে কোনও আলো নাই। আমি বুঝতে পারলাম ও কি বলতে চাইছে । গাড়ী সিগন্যাল দিয়ে পাশে দাঁড় করিয়ে দেখি হেড লাইট, ফগ লাইট কোনটাই অন করা নাই। গাড়ীতে বসেই এইগুলি অন করলাম আর ভাবছিলাম এতক্ষন যে পুলিশ আমাকে দাঁড় করায়নি এটা আমার সোভাগ্য। ছেলেটা অনেক কিছু খেয়াল করে, যেটা ওর বাবা করে। ও মনে হয় ওর বাবার মত হয়েছে। ওর বাবার কথা মনে হওয়ার সাথে সাথে মনে পড়ে গেল আমি এখনও চাকরী ছেড়ে দেওয়ার কথা তাকে বলিনি। চাকরী ছাড়ার পর থেকেই মনে হয় অবচেতন মনে আমার স্বপ্ন নিয়ে চিন্তা করছি, তাই খুব ছোট ছোট জিনিসগুলি খেয়াল করতে পারছি না। কিভাবে যে আমি হেড লাইট, ফগ লাইট ছাড়া গাড়ী ড্রাইভ করছিলাম? নিজের উপর খুব রাগ হল।

আমার বাসা থেকে এয়ারপোর্ট দশ মাইল দূরে। আমি যখন শহর থেকে বের হয়ে গ্রামের রাস্তায় পড়লাম, তখন দেখি চারিদিকে বরফে ঢাকা সাদা সাদা গাছ আর তার মাঝে কিছু বাড়ী। রাস্তাগুলিতে অনেক সুন্দর আলোকসজ্জা করা। পেছনের সিটে বসে বাচ্চা দুইটা অবাক হয়ে দেখছে। আমি নিজেও একটু একটু করে দেখছি, আলোকসজ্জা না, পেছনের বাচ্চা দুইটাকে। কেন জানি না বাচ্চারা যখন মন দিয়ে, ভাললাগা নিয়ে কিছু দেখে তখন তাদের চোখ দুটি অনেক বড় হয়ে যায়। রাস্তাগুলিতে আলোক সজ্জা করার কারণ ক্রিসমাস আর হ্যাপি নিউইয়ার শেষ হল মাত্র কিছু দিন হল। এখনও বাড়ীগুলিতে খুব সুন্দর সুন্দর আলোকসজ্জা করা। অনেকেই শীতকাল পছন্দ করেন না। আমার খুব ভাল লাগে বাইরে যখন খুব তুষারপাত হয় তখন জানালার পাশে বসে গরম কফির মগ দুই হাতের মুঠোর মধ্যে ধরে নাকের কাছে কফির মগটা রেখে আস্তে আস্তে অনেক ভালবাসার সাথে কফি খেতে খুব ভাল লাগে। হাতের মধ্যে রাখলে হাতটা গরম হয় আর সেই সাথে নাকের কাছে থাকার কারণে কফির যে কাঠপোড়া একটা গন্ধ, ওটা মনকে সতেজ করে দেয় এক নিমিষে। যেখানে পঞ্চাশ মাইল স্পিডে আমার ড্রাইভ করার কথা সেখানে আমি মাত্র ত্রিশ মাইল স্পিডে ড্রাইভ করছিলাম তাই এয়ারপোর্টে পোছাতে একটু দেরী হয়ে গেল। কার পার্কে প্রবেশ করে দেখি ও দাঁড়িয়ে আছে ঠান্ডার মধ্যে, সারা মাথা আর ঘাড়ে তুলার মতন সাদা সাদা বরফ জমে আছে। মাথাটা ঝাড়া দিয়েই গাড়ীতে উঠে বসলে আমি আরও জোরে হিটিং অন করে দিলাম। পেছন থেকে দুইজন পাখির মত কিঁচির মিচির করে কথা বলা শুরু করেছে বাবার সাথে। চুপ করে ওদের কথা শুনতে শুনতে পার্কিং থেকে বের হয়ে রাস্তায় উঠলাম। দশ মিনিট পর ও আমার দিকে ফিরে জানতে চাইল কি অবস্থা? স্কুল কেমন চলছে? আমি বললাম ভাল। রাতে খাবার খাওয়ার পর বাচ্চাদের সাথে তাদের বেডে গিয়ে ওদেরকে গল্প বলে ঘুম পাড়িয়ে দিল। আমি নামায পড়ছি দেখে ও বিছানায় এসে একটা বই পড়তে পড়তে ঘুমিয়ে পড়েছে। আমি ঘরে এসে ভাল করে কম্বলটা টেনে দিলাম।

পরের দুই দিন খুব ব্যস্ততা গেল, বলা হল না আমার চাকরীর কথা। সোমবার সকালে আবার প্লেন ধরে সুইজারল্যান্ড চলে গেল। আমি আবার বাচ্চাদের নিয়ে ব্যস্ত হয়ে গেলাম। টেলিফোনেও বলা হল না যে আমি চাকরী ছেড়ে দিয়েছি। এই সপ্তাহ আমার স্কুলের নোটিশ টাইম শেষ হবে। পরের সপ্তাহে ও যখন সুইজারল্যান্ড থেকে ফিরে আসলো তখন খাওয়ার টেবিলে আমার কাছে জানতে চাইলো এখন আমি কোন ক্লাসে আছি। তখন ছেলেটি বললো, বাবা! বাবা! মা এখন আর স্কুলে যায় না। ও খাওয়া থামিয়ে তাকিয়ে রইলো। আমি তখন বললাম তুমি খাওয়া শেষ করলে আমি সব বলছি। তারপর আস্তে আস্তে সব বললাম। ও চুপ করে শুনে বললো আমার জন্য তোমার স্বপ্ন পুরন হল না। আজ আমি যদি আমার চাকরী নিয়ে অন্যদেশে না যেতাম তাহলে তোমাকে চাকরীটা ছাড়তে হত না। আমি তখন তাকে বুঝালাম ব্যাপারটা ঠিক তা নয়। বাচ্চারা মাকে চায়, আমি যখন নার্সিং হোমে চাকরী করেছি তখন রাতে চাকরী করেছি। তাই ওরা সব সময় আমাকে ওদের কাছে পেয়েছে। আজ ওরা আমাকে সেইভাবে পাচ্ছেনা, এটা ওদের মনের উপর চাপ সৃষ্টি করছে। এটা বুঝতে পেরেই আমি চাকরী ছেড়ে দিয়েছি। কোনও স্বপ্নই বাচ্চাদের থেকে বড় হতে পারে না। একটা মা এর সব থেকে বড় স্বপ্ন তার সন্তান, তার সংসার। আমি যদি আমার সন্তানকেই মানুষ করতে না পারি তাহলে আমার সব স্বপ্ন পুরন হলেও আমি শুন্যতেই থেকে যাব। কারন আজকের শিশু আগামীর ভবিষ্যত। একজন মা এর সামান্য অবহেলা একটা শিশুর পরিপুর্ন মানষিক বিকাশে বাঁধা সৃষ্টি করে। তাই আমাকে, ব্যক্তি আমি-র আগে, নিজেকে একজন মা হয়ে চিন্তা করতে হয়েছে। একজন মা পারে সমাজকে, জাতিকে একজন ভাল মানুষ দিতে। আমি সেই কাজটাই সুষ্ঠ ভাবে করার জন্যই আমার একা-কে নিয়ে যে স্বপ্ন ছিল, সেই স্বপ্ন থেকে বের হয়ে আবার নতুন করে সবাইকে নিয়ে নতুন স্বপ্ন বোনা শুরু করেছি। এটাই আমার স্বপ্নের মালাপুঞ্জ

 

আরও জানুন » জীবনের রংগুলো »

লেখাটি আপনার কেমন লাগলো তা আমাদেরকে অবশ্যই জানাবেন। আপনার মতামত আমাদের কাছে খুবই মূল্যবান। আপনি যদি আপনার নিজের লেখা কবিতা, গল্প, প্রবন্ধ বা অন্য যেকোনো বিষয় বাঙালিয়ানা Magazine এ প্রকাশ করতে চান, তবে আমরা অত্যন্ত আনন্দের সাথে আপনার লেখা প্রকাশে সচেষ্ট হব । আগ্রহীদের এই ইমেইল ঠিকানায় bangalianamagazine@gmail.com যোগাযোগের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হল । Copy করা কোন লেখা পাঠাবেন না। দয়া করে আপনাকে নিশ্চিত করতে হবে যে, আপনার পাঠানো লেখাটি অনলাইনে আগে কোথাও প্রকাশিত হয়নি। যদি অনলাইনে আগে অন্য কোথাও আপনার লেখাটি প্রকাশিত হয়ে থাকে, তাহলে আমরা সেটা প্রকাশ করতে পারব না। আমরা অরাজনৈতিক, অসাম্প্রদায়িক এবং নিরপেক্ষ।

বিঃ দ্রঃ লেখাটি কোনরকম পরিমার্জন ব্যতিরেকে সম্পুর্ণ লেখকের ভাষায় প্রকাশিত হল। লেখকের মতামত, চরিত্র এবং শব্দ-চয়ন সম্পুর্ণই লেখকের নিজস্ব । বাঙালিয়ানা Magazine প্রকাশিত কোন লেখা, ছবি, মন্তব্যের দায়দায়িত্ব বাঙালিয়ানা Magazine কর্তৃপক্ষ বহন করবে না।

Comments

comments