দেশী ফ্লেভারে ব্রিটিশ সাইন

0
582
Sketch: Farah Alamgir
Print Friendly, PDF & Email

প্রায় এক যুগ ধরে বিলাতে বসবাস করছি। এখানে সবকিছু খুব গোছানো, অনেক চিন্তাভাবনা করে সব নিয়ম তৈরী করা হয়েছে। এদের সিস্টেম ম্যানেজমেন্ট বিশ্বসেরা –প্রতিটা আইন ও তার প্রয়োগের নেপথ্যে নিজের দেশের মানুষ এবং দেশে আসা পর্যটকদের সুবিধা ও কল্যাণের একটা স্পষ্ট ও জোরালো উদ্দেশ্য আছে। এসব কারণে এদের জন্য আমার সত্যিকারের শ্রদ্ধা আছে। এদের সুচিন্তিত ও সাজানো-গোছানো নিয়মকানুনের গুণগান করতে গেলে আমি আট ফর্মার বই লিখে ফেলতে পারবো। কিন্তু সেই গুণগান করা আজকের লেখার উদ্দেশ্য না। আমি ভূমিকাতে যা লিখলাম সেগুলো আমার মনের কথা ঠিকই, কিন্তু এসব কথায় কোনো মসলা বা বিনোদন নেই। কেউ কতো ভালো সেটা নিয়ে দীর্ঘ কিছু লিখতে থাকলে একসময় সেই লেখা খুব বোরিং হয়ে যায়। এসব লিখতে লিখতে একসময় অবধারিতভাবে নিজেরই মনে হয়, ‘আচ্ছা, এরা যে এতো ভালো সেটা বিতং করে বলে আমার কি হবে …’

 

     আজকের লেখাতে আমি এদের একটা ব্যাপারের মধ্যে কিছু দেশী ফ্লেভার দিয়ে সেটাকে বিনোদন বানানোর একটা চেষ্টা করবো। এর একটা কারণ আছে। বারো বছর বিলাতে থেকেও এখানকার কিছু ব্যাপার আমার হজম হয় না। ব্রিটিশ হওয়া তো দূরের কথা, আমি এখনও প্রবাসী বাংলাদেশীই হতে পারিনি। আমি দেশ আর দেশের মানুষের থেকে দূরে আছি শুধুমাত্র কাজের কারণে। কাজের জায়গায় আমি একেবারেই কাজের মানুষ, খাঁটি ব্রিটিশ অবয়ব নিয়ে মন দিয়ে কাজ করি। কিন্তু কাজ থেকে বের হয়ে দৈনন্দিন জীবনে আসলেই আমি একশ দশ পারসেন্ট দেশী জিনিস হয়ে যাই। যখন দেশী হয়ে যাই তখন আমি চরম সমালোচনামুখর … ভ্রু কুঁচকে এদের সাজানো-গোছানো সবকিছুর মধ্যে ভুল ধরে ফেলি। শুধু তাই না, আমি এদের সুচিন্তিত ব্যবস্হাপনার মধ্যে একটা দেশী ফ্লেভার মেখে সেটার থেকে একটা রিমিক্স-বিনোদন নিজে নিজেই উপভোগ করি।

 

     আমার পরিচিত অনেক প্রবাসী বাংলাদেশীরা আমার এই আনন্দে সামিল হতে পারেন না … বরং তারা এতে বিব্রত ও বিরক্তবোধ করেন। বিলাত নিয়ে আমার ব্যঙ্গাত্বক কথাবার্তা শুনে তারা আমাকে একেবারে যা তা কিছু একটা ভাবেন (‘এই রকম কিছু পাবলিকের কারণে বাঙালী বিদেশে বদনাম হয়’ …. এরকম ধারণা করেন)। তাদের কোনো দোষ নেই। তারা লেজ কেটে ফেলেছেন, এবং সেই কারণে তারা নিজেদের মধ্যে একটা প্রবল বিলাতপ্রীতি তৈরী করেছেন (শুনেছি যুক্তরাষ্ট্রেও এরকম লেজকাটা প্রবাসীরা সংখ্যাগরিষ্ঠ)। তাদের জন্য আমার মায়া হয়। তারা বাংলাদেশে কিছু করতে পারেননি, এবং খুব সম্ভবত বুঝে ফেলেছেন যে কোনোদিন কিছু করতেও পারবেন না। তাই তারা তাদের কথাবার্তায় প্রায়ই বিলাতের গুণগানের আট ফর্মার বইটা পড়তে থাকেন। তাদের বই আট ফর্মা থেকে দশ, বারো, চোদ্দ ইত্যাদি ফর্মা হতে থাকে। তবুও তারা ক্লান্তিবোধ করেন না। বিলাতের সবকিছু কতো ভালো এবং বাংলাদেশের সবকিছু কতো খারাপ সেসব বলতে বলতে তারা মুখে ফেণা তুলে ফেলেন। তাদের কথা শুনতে থাকলে একসময় আমার মনে হয় ছ্যাকা খাওয়ার পরে বা কোনো বিয়ের সম্বন্ধ থেকে রিজেক্ট হওয়ার পরে কেউ তার বর্তমান এ্যারেন্জমেন্টের স্ত্রী ও শ্বশুরবাড়ির প্রশংসা করছেন, এবং যেই পার্টি তাকে রিজেক্ট করেছে তার বদনাম করছেন। খেয়াল করে দেখুন, তেমনটা কেউ করলে কিন্তু সেটা পরীক্ষা করে দেখার কোনো উপায় নেই … আমরা তো আর বলতে পারি না, ‘আচ্ছা তাই ভাই … তাহলে তো আপনার স্ত্রীর সাথে একদিন সংসার করে দেখতে হয়, আর আপনার শ্বশুরবাড়িতে একদিন জামাই-আদর উপভোগ করতে হয়’ …

 

     কোনো একটা কারণে আমি তাদের মতো হতে পারিনি। আমি কারও গুণগানও করতে পারি না, কারও বদনামও করতে পারি না। আর আমার দেশী লেজ আমার সাথেই আছে, দিন দিন সেটা আরও বড় হচ্ছে। বিলাতের সাজানো-গোছানো নিয়ার-পারফেক্ট জীবনযাত্রায় আমি একসময় হাঁপিয়ে উঠি। বেশীরভাগ সময় ব্রিটিশ ভদ্রতার কথাবার্তায় মুগ্ধ থাকি ঠিকই, কিন্তু কোনো একটা নিজস্ব মুহূর্তে আমি আমার দেশের ‘আউলা’ কথাবার্তাকে খুব মিস করি। সেই সময়টাতে এখানকার ‘পলিটিক্যালি কারেক্ট’ কথোপকথনের মাপজোঁকে আমি ক্লান্ত ও বিরক্তবোধ করি। তাই আমি তখন একটু-আধটু পাগলামীও করে ফেলি।

 

     উদাহরণ দিচ্ছি। দৈনন্দিন জীবনে মেজাজ বেশী খারাপ হলে আমি মাঝে মাঝে ব্রিটিশদের সাথে বাংলায় দুই-একটা কথা বলে ফেলি। যেমন ধরুন, প্রচন্ড ক্ষুধা নিয়ে টেসকো সুপারমার্কেটে বাজার করছি। বাজার শেষ করে বাড়ি ফিরে রান্না করে খেতে হবে। সুপারমার্কেটে সারি সারি চেকআউট কাউন্টার, কিন্তু তার বেশীরভাগেই কোনো স্টাফ নেই। কস্ট-কাটিং করার কারণে এরা অল্প স্টাফে কাজ চালাচ্ছে, নতুন কাউকে চাকরী দিচ্ছে না। তিনটা কাউন্টারে স্টাফ আছে, তাই সেসব কাউন্টারে বিশাল লাইন। আমি মেজাজ খারাপ করে লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। কাউন্টারের স্টাফ ধীরেসুস্হে কাস্টমার পার করছে, প্রত্যেকের সাথে রোবটের মতো প্রীতি আলাপ করছে। কারণ ছাড়া বকবক করার ব্যাপারে ব্রিটিশদের কোনো তুলনা নেই (আমি শুনেছি আমেরিকানরা এই ব্যাপারে আরও ওস্তাদ)। ঠুং ঠাং করে খাস ব্রিটিশ এ্যাকসেন্টে ইংরেজি শব্দ শোনা যাচ্ছে। একসময় আমার টার্ন আসলো, এবং কাউন্টারের স্টাফ তার চেহারায় একরাশ চিরাচরিত ব্রিটিশ কাঠিন্য মেখে খুব মাপা এবং কৃত্রিম বিনয়ের সাথে বললো, সরি ফর দা ডিলে, এন্ড থ্যাঙ্ক ইউ ফর ওয়েটিং, স্যার।

 

আমি (ওর দিকে না তাকিয়ে) :হ, তরে কইছে … তুই একদমই সরি না ….

 

স্টাফ :সরি স্যার, ডিড ইউ সে সামথিং ?

 

আমি (এবারও না তাকিয়ে) :ঢং বাদ দিয়া তাড়াতাড়ি কাম কর …  

 

স্টাফ (শীতল কণ্ঠে) :আই এ্যাম সরি স্যার, বাট ইট ইজ রুড টু স্পিক ইন এ ল্যাঙ্গুয়েজ আদার দ্যান ইংলিশ হেয়ার ….

 

আমি (অন্যদিকে তাকিয়ে, বিড়বিড় করে) :হ হ বুঝছি। ভদ্রতা ধুইয়া পানি খা … মাইনষেরে চাকরী দিবি না, আমরা খিদা প্যাটে খারাইয়া থাকুম, আর কিছু কইলে রুড …. (ওর দিকে তাকিয়ে, বিমর্ষ মুখে) ওহ সো সরি, ইট হ্যাজ বিন এ ব্যাড ডে এ্যাট ওয়ার্ক … আই এ্যাম ফিলিং ভেরী নস্টালজিক … এ্যাকচুয়েলি টকিং টু মাইসেল্ফ ….

 

     আমার হচ্ছে এমন অবস্হা। এদের অনেক কিছুই আমার ভালো লাগে, কিন্তু আমার হুটহাট পাগলামীর একটা হচ্ছে এদের চমত্কার কিছু বিষয়ে একটা দেশী ফ্লেভার মাখিয়ে সেটাকে উপভোগ করা। যেই জিনিস নিঁখুত আর খুব গোছানো, সেটাতে আমি কোনো বিনোদন পাই না। সেটাতে একটু-আধটু মসলা মাখালে আমি বিনোদন পাই। যেমন এদের ইনফরমেশন সাইন, বা রোড সাইন। কিছু রাস্তায় বা কোনো কোনো জায়গায় এরা এতোগুলো সাইন লাগিয়ে রাখে বা এমন করে লিখে রাখে যে মাঝে মাঝে আমি ভাবতে থাকি আসলে ব্যাটা কি বলতে চাচ্ছে! তখন আমি সেটাতে একটা দেশী ফ্লেভার মাখিয়ে আমার বিভ্রান্তিটাকে উপভোগ করি।

 

     যেমন ধরুন কোথাও বেড়াতে গেছি, এবং হঠাত দেখলাম একই স্হানে পাশাপাশি দুটা সাইন। এর একটাতে লেখা DANGER: RADIATION (KEEP AWAY), আর অন্যটাতে লেখা THIEVES: BEWARE! আমি সাইন দুটো পড়ে বুঝতেই পারলাম না ঘটনাটা কি। যদি রেডিয়েশনের কারণে সেখানে কোনো মহা বিপদ থাকে, সেখানে চোর আসবে কোথ্থেকে! চোর কি রেডিয়েশন-প্রুফ পোশাক পরে আসবে ?অথবা ধরুন কোনো কার-ওয়াশের দোকানে গেলাম। সেখানে একটা সাইনে লেখা SPOTLESS HAND CAR WASH … আমি হতভম্ব হয়ে ভাবছি, এর মধ্যে কোনটা ‘স্পটলেস’? যেই ‘হ্যান্ড’ দিয়ে কার-ওয়াশ করা হবে সেটা স্পটলেস, না যেই ‘গাড়িটা’ হ্যান্ড দিয়ে ওয়াশ করা হবে সেটা স্পটলেস ? এই দুই জিনিস স্পটলেস হলে গাড়ি ধোয়ার আর প্রয়োজন কি ? অথবা ধরুন ড্রাইভিং-এর সময় রাস্তার পাশের একটা প্রাসাদ টাইপের বাড়ির গেইটে দেখলাম বড় তীরচিহ্ন দিয়ে ‘এন্ট্রি’ সাইন দেয়া। তার ঠিক পাশে আরেকটা সাইনে লেখা PRIVATE PROPERTY: NO TRESPASSING, এবং নীচে আরেকটা সাইনে লেখা PLEASE DRIVE CAREFULLY

 

     আমার এধরণের মনগড়া বিভ্রান্তি কোনো সিরিয়াস ব্যাপার না। আমার বিলাতপ্রেমী প্রবাসী বন্ধুদের অনেকেই এসব শুনলে বিলাতকে বাঁচানোর জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়বেন। তারা হেসে বলবেন, ‘আরে ভাই আপনার ইংরেজির সমস্যা আছে। IELTS-এ কতো পেয়েছিলেন ?এই দেশে থাকতে হলে আপনাকে এদের স্টাইলে ইংরেজি শিখতে হবে বুঝলেন …. আর ভাই সাইন দেখলে প্রথমে দেখবেন কোনটা কোন রঙের। লাল রঙ হলে হচ্ছে ওয়ার্নিং, নীল হচ্ছে ইনফরমেশন, আর সবুজ হচ্ছে ……’। তারা কিন্তু বুঝেন না যে এসব তথ্য জানার পরেও আমি নিজেকে বিনোদন দেয়ার জন্য এই বিভ্রান্তিগুলো তৈরী করি। আমি ইচ্ছা করেই ব্রিটিশদের সুচিন্তিত সাইনগুলোতে কিছু দেশী মসলা মাখিয়ে নেই। আমার বিভ্রান্তিটা হচ্ছে একটা দেশী মসলা। আমরা বাংলাদেশী মানুষজন বিভ্রান্ত হতে পছন্দ করি, প্রশ্ন করতে পছন্দ করি। যদি কোথাও লেখা থাকে NO ENTRY, আমরা একবার হলেও ভাবি, ‘আচ্ছা, এখানে নো এন্ট্রি কেন …. ঢুকলে কি হয় দেখি তো ….’

 

     ব্রিটিশদের বিভিন্ন সাইন দেখে আমি প্রায়ই ভাবি যে যদি এই সাইনগুলো আমাদের বাংলাদেশের ভাষায় বাংলাদেশীদের জন্য তৈরী করা হয়, তাহলে কিভাবে লিখতে হবে এবং কি লিখতে হবে। আমার মনে হয় এসব সাইনকে সরাসরি বঙ্গানুবাদ করে আমাদের সামনে রাখলে আমরা সেটাকে খুব একটা পাত্তা দিবো না। কিন্তু যদি এসবের অর্থকে একটা বাঙালিয়ানা ‘ভাবে’ প্রকাশ করা যায়, তাহলে আমরা খুব যত্ন করে এসব পড়বো, বুঝবো এবং খুব সম্ভবত ফলোও করবো। যেমন ধরুন যদি EXITসাইনকে বঙ্গানুবাদ করে আমরা ‘বাহির’বা ‘প্রস্হান’লিখি, তাহলে সেটাতে কোনো আকর্ষণ থাকে না। আকর্ষণ না থাকলে আমরা খুব মনযোগ দিয়ে সেটা পড়ি না,বা ফলো করি না। তাই কোনো দরজায় ‘বাহির’ বা ‘প্রস্হান’ টাইপের কিছু লেখা থাকলে দেখা যাবে যে সেই দরজা দিয়ে ক্রমাগত মানুষ ভিতরে ঢুকছে, বাইরে কেউ যাচ্ছে না। কিন্তু ধরুন যদি সেই সাইনের ভাবানুবাদ করে বাঙালিয়ানা স্টাইলে আমরা লিখি ‘অফ যান’, তাহলে কিন্তু ব্যাপারটা অন্যরকম। তখন সেটা অনেকেই আগ্রহ নিয়ে পড়বে ও মনে রাখবে। আমার ধারণা এরকম কিছু দেখলে কোনো আড্ডায় আমরা বন্ধুদেরকে বলবো, ‘জানিস, অমুক জায়গায় যেই দরজাটা বাইরে যাওয়ার জন্য, সেটাতে লেখা অফ যান … হা হা হা …. কি ফানি, না’! …. এসব শুনতে শুনতে হয় তো সবাই মনে রাখবে যে সেই দরজাটা বাইরে যাওয়ার দরজা …. তাই হয় তো অনেকে সেটা ফলোও করবে!

 

     আজকের লেখায় আমি আমার ভাবনা থেকে সেরা দশ ‘দেশী ফ্লেভারে ব্রিটিশ সাইন’ দিলাম। এগুলো আমার প্রবাস জীবনের কিছু দেশী-পাগলামী মুহূর্তে ভেবে রাখা বিনোদন। এসব নিছক বিনোদনের জন্য, এই ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই। আমার এই তালিকা পড়ে হেসে ফেলা ছাড়া অন্য কোনোকিছু করা একেবারেই ঠিক হবে না (তবে হাসি না আসলে আমাকে নির্দ্বিধায় ‘অফ যান’ বলতে পারেন)। কেউ এসব ভাবানুবাদ বা বাঙালিয়ানাকে সিরিয়াসলি নিলে মহা বিপদ। আমাদের জীবনে এমনিতেই অনেক সমস্যা আছে। আমার এসব এলেবেলে বিনোদন-ভাবনাকে সিরিয়াসলি নিয়ে নতুন কোনো সমস্যা সৃষ্টি করা একেবারেই বুদ্ধিমানের কাজ হবে না।

 

     লেখা শেষ করবো আজকের সেরা দশ ‘দেশী ফ্লেভারে ব্রিটিশ সাইন’ দিয়ে, তাই সবাইকে পবিত্র মাহে রমজানের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। পবিত্র মাহে রমজানের আলোকে আমরা সবাই যেন আত্মশুদ্ধির নতুন প্রেরণা খুঁজে পাই, সেই কামনা করছি।

 

সেরা দশ

দেশী ফ্লেভারে ব্রিটিশ সাইন

 

১০. DANGER: RADIATION (KEEP AWAY)

সাবধান : গুটিবাজি চলছে (আপনি ভদ্রঘরের সন্তান হলে দূরে থাকুন)

 

৯. THIEVES: BEWARE

সাবধান : সামনে নির্বাচন

 

৮. PRIVATE PROPERTY : NO TRESPASSING

আমার বাবার জায়গা : ঢুকলে আপনার টেংরি ভেঙে দেয়া হবে

 

৭. REDUCE SPEED NOW

যদি ব্রেক থাকে, দয়া করে এখন চাপ দিন

 

৬. NO ALCOHOL, NO KISSING

মদের বোতলে চুমু দিবেন না

 

৫. MIND THE GAP

বিরোধী দলের ফাঁদে পা দিবেন না

 

৪. WARNING : DO NOT DISTURB

সাবধান : সরকারী দলের কাউকে কোনো প্রশ্ন করবেন না

 

৩. DIVERTED TRAFFIC

পিকেটিং, রাবার বুলেট ও টিয়ার গ্যাস চলছে : অন্য পথে যান

 

২. POLICE LINE : DO NOT CROSS

আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী আঙ্গুল চুষছে না

 

১. NO ENTRY.

মুড়ি খান

আরও জানুন » দাম্পত্যে পলিটিক্যালি কারেক্ট কথোপকথন »

লেখাটি আপনার কেমন লাগলো তা আমাদেরকে অবশ্যই জানাবেন। আপনার মতামত আমাদের কাছে খুবই মূল্যবান। আপনি যদি আপনার নিজের লেখা কবিতা, গল্প, প্রবন্ধ বা অন্য যেকোনো বিষয় বাঙালিয়ানা Magazine এ প্রকাশ করতে চান, তবে আমরা অত্যন্ত আনন্দের সাথে আপনার লেখা প্রকাশে সচেষ্ট হব । আগ্রহীদের এই ইমেইল ঠিকানায় bangalianamagazine@gmail.com যোগাযোগের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হল । Copy করা কোন লেখা পাঠাবেন না। দয়া করে আপনাকে নিশ্চিত করতে হবে যে, আপনার পাঠানো লেখাটি অনলাইনে আগে কোথাও প্রকাশিত হয়নি। যদি অনলাইনে আগে অন্য কোথাও আপনার লেখাটি প্রকাশিত হয়ে থাকে, তাহলে আমরা সেটা প্রকাশ করতে পারব না। আমরা অরাজনৈতিক, অসাম্প্রদায়িক এবং নিরপেক্ষ।
বিঃ দ্রঃ লেখাটি কোনরকম পরিমার্জন ব্যতিরেকে সম্পুর্ণ লেখকের ভাষায় প্রকাশিত হল। লেখকের মতামত, চরিত্র এবং শব্দ-চয়ন সম্পুর্ণই লেখকের নিজস্ব । বাঙালিয়ানা Magazine প্রকাশিত কোন লেখা, ছবি, মন্তব্যের দায়দায়িত্ব বাঙালিয়ানা Magazine কর্তৃপক্ষ বহন করবে না।

Comments

comments