জীবন চক্র

0
545
জীবন চক্র
Print Friendly, PDF & Email

মেঘের কোনও দেশ থাকে না !!! দেশ থাকে না !!! দেশের থাকে মেঘ।” গানের কথা গুলি এতো সুন্দর করে বলেছে, আসলেই মেঘের তো কোনও দেশ নেই, পুরো আকাশ জুড়ে একটাই পৃথিবী । মানুষ বিভিন্ন সীমা রেখা টেনে এটাকে খন্ড খন্ড ভাগে ভাগ করেছে । আশেপাশে কোথাও ঘাস কাটা হচ্ছে মনে হয় তাই তো মাটির গন্ধ পাচ্ছি । কিছু জিনিস আছে যেগুলি সব দেশেই একই রকম যেমন মাটির সোঁদা গন্ধ, কাঁচা ঘাসের গন্ধ । রাস্তার বাঁকটা ঘুরতেই দেখতে পেলাম লোকগুলি ঘাস কাটছে । এখানে এক অদ্ভুত ব্যাপার হয়, যার যার কাজ সে তার সময় মত করে ফেলবে, কেউ কাউকে কোন আদেশ করবে না । কেউ যদি কারো কাজ ঠিক মত না করে তাহলে উপর মহলের কেউ বকাঝকা দিবে না, শুধু একসময় তার চাকরিটা চলে যাবে । ওই লোক কোন তদবির করতে পারবে না কারন ও জানেই না কার কাছে যাবে । আমার কাছে ব্যাপারটা এই রকম লাগে, নিয়ম থাকতে, কাগজ থাকতে, মুখে কেন কথা বলবো । নিজের ভালতো পাগলেও বোঝে তাহলে তুমি বুঝবে না কেন? তুমি যদি তোমার দায়িত্ব ঠিক মত না কর, তোমার চাকরী থাকবে না । তুমি কাজ করছো কি, করছো না সেটা দেখার জন্য আবার একজন লোক কেন রাখতে হবে? কিন্ত আমার দেশে কাজের জন্য এবং কাজ করানোর জন্য লোক লাগে । হঠাৎ করে গানটা বন্ধ হয়ে SAT NAV থেকে রাস্তার ট্যাফিকের ঘোষনা শুরু হল, সামনে রাস্তায় অনেক ট্যাফিক জ্যাম আছে, তাই কেউ যদি রাস্তা পরিবর্তন করে অন্য রাস্তা নিতে চায় তাহলে সে বাইপাস রাস্তা নিতে পারবে । ঘোষনা শেষ হলেই আবার গানটা শুরু হল।

আমার বাই পাস নেওয়ার কোনও উপায় নেই তাই আমি এই রাস্তায় থাকলাম । বুঝে গেলাম একটু বেশি সময় লাগবে । রাস্তা গুলি এমন এঁকে বেঁকে গেছে যে আমি যখন প্রথম গাড়ি চালানো শুরু করেছিলাম তখন মাঝে মাঝেই আমার খুব ভয় লাগতো গাড়ি চালাতে । এতো জোরে এখানে গাড়ী চলে, অথচ তারপরও আমার দেশের তুলনায় খুব একটা দূর্ঘটনা হয় না । আর যদিও হয় তাহলে হাইওয়ের অ্যাম্বুলেন্স চলে আসে, অন্য কোনও মানুষের সাহায্যের আগেই । কারন পূরো ইংল্যান্ডের রাস্তা চব্বিশ ঘন্টা মনিটর করা হচ্ছে । তাই-তো এই দেশে অপরাধীরা পালিয়ে যেতে পারে না । এক সময় তাদের ধরা পড়তেই হয় । কারণ কোনও না কোনও CCTV তে তাদের ছবি আছে।

কত সুন্দর ভাবে নিজেদের দেশটা কে গুছিয়ে রেখেছে আর যখন এরাই এশিয়াতে ছিল তখন শুধু ব্যবসা করেছিল, তখনও ওরা নিজের দেশের স্বার্থ দেখেছিল । দেশপ্রেমের পরিচয় দিয়েছিল, এখনও দিচ্ছে । তাই-তো যখন এশিয়া ছেড়ে চলে আসলো তখন খুব সুন্দর ভাবে ভারত বর্ষকে ভিন্ন ভিন্ন খন্ডে ভাগ করে দিলো । এমনিভাবে খন্ড গুলি করলো যে সারাজীবনেও আমরা সেই খন্ড গুলিকে এক করতে পারবো না । তাই নিজের দেশে থেকেও সারা জীবন পরবাসী হয়ে থাকবো । যেমন ইন্ডিয়ায় যে মুসলিমরা আছে তারা ইন্ডিয়াতে থেকেও পাকিস্তানীদের মত উর্দুতে কথা বলে, সব কিছুতে পাকিস্তানকে সাপোর্ট করে, যারা করেন না তাদেরও কোন মুক্তি নেই কারন ওই একজন দুইজনের জন্য সবার দোষ হয়। তাই তাদেরকে কেউ বিশ্বাস করে না । আবার একই সমস্যা বাংলাদেশের হিন্দুদের, যারা বাংলাদেশ বসবাস করেও না বাংলাদেশের মানুষ হয়, না ইন্ডিয়ার মানুষ হয় । মাঝে মাঝে আমার খুব কান্না পায় এদের জন্য, এটা তাদের এমন একটা কষ্ট, যা তারা ছাড়া অন্য কেউ বুঝবে না । অন্যদের দিকে আঙ্গুল তোলা অনেক সহজ কিন্ত কেউ যদি নিজের দিকে তাকায় তাহলে আর আঙ্গুল তুলতে পারতো না।

আমরা মানুষরা খুব অদ্ভুত, সব কিছুর উপর মানুষ সত্য তাহার উপর নাই । ছোটবেলায় সব বাচ্চারা প্রথমে এই লাইনটা পড়া শেখে তারপরও সবার আগে মানুষ না, ধর্ম, ছেলে, মেয়ে, জাত এই গুলির মাঝে মানুষ শব্দটা হারিয়ে যায় । কিংবা আমরা সেই শব্দটা হারিয়ে ফেলি । হঠাৎ করে গান বন্ধ হয়ে ফোনটা বেজে উঠলো । আমি গাড়ীর স্টিয়ারং হুইল ঘুরাতে ঘুরাতে বোতামটা চেপে দিলাম । আগেই গাড়ীর স্ক্রীনে উঠেছিল যে ফোন করেছে তার নাম । তাই ফোনটা ধরলাম । প্রথমত, গাড়ী চালানোর সময় আমি সাধারণত ফোন ধরি না, কারণ আমি একসাথে অনেক কাজ করতে পারি না । দ্বিতীয়ত, পুলিশ যদি দেখে আমি ফোনে কথা বলছি তাহলে ৬০ পাউন্ড ফাইন হবে । এখানে ফাইন এর চেয়েও আইন ভেঙ্গেছি এই কারনেই বেশি অপমানে লাগবে । যদিও আমাকে ফোনটা হাত দিয়ে ধরতে হয় না।

ব্লু-টুথের মাধ্যমে গাড়ীর স্পিকাররের সাথে ফোন সংযোগ করা । তাই আমি ষ্টিয়ারিং হুইলের একটা বোতামে চাপ দিলেই কথা বলতে পারি, হাতে ফোনটা না ধরেই । মাঝে মাঝে মনে হয় আমার মতো চালকদের কথা চিন্তা করেই এইভাবে ডিজাইন করেছে । ফোন বাজলে সাথে সাথে ফোন ধরার জন্য হাত বাড়াতে গিয়ে আবার দুর্ঘটনার সৃষ্টি যেন না হয় । আমি খুব রাস্তা হারিয়ে ফেলি । এইসব দেশে রাস্তা হারালে সমস্যায় পড়তে হয় কারন আমি চাইলেও যে কোন জায়গায় গাড়ী ঘোরানো যাবে না । আমাকে অনেক দূরে যাওয়ার পর অন্য রাস্তা দিয়ে বের হতে হবে । কিন্ত আমার সমস্যা হল রাস্তা হারালে, খুব ভয় পেয়ে যাই । আমার গাড়িতে যেহেতু বাচ্চা থাকে তাই ও চায় আমি যেন মাথা ঠান্ডা রেখে চলতে পারি । ভয়ে কোন ভুল না করে ফেলি । আমি হাসি আর মনে মনে ভাবি, বাচ্চা এমন একটা জিনিস মানুষ চাইলেও তাদের চিন্তা থেকে দূরে থাকতে পারে না।মা এর সাথে বাচ্চারা আছে তারপরও চিন্তা হয়, ওরা কি ঠিক আছে? বাসায় এসেছে কি?

যে ফোন করেছে, তাকে হ্যালো বলার পর এর উওরে একটা অস্তিরতা ভরা হ্যালো ফিরে এলো । আমি চুপ করে ওকে কথা বলার সুযোগ দিলাম, ও বলল, স্কুল হঠাৎ করে ছুটি হয়ে গেছে । ওর তো স্কুলে পৌঁছাতে দেরী হবে কারন ও এখন ক্লাসে আছে । আমি বললাম তুমি চিন্তা কর না আমি স্কুলের খুব কাছাকাছি চলে এসেছি । ওকে ফোন করে বলো পার্কিং এ আসতে, আমি নিয়ে আসবো । তুমি তোমার স্কুল শেষ করে ধীরে সুস্থে বাসায় আসো । ও আমাকে ধন্যবাদ বলে খুব খুশি মনে শান্তিতে ফোন রেখে দিল । সব মা এর একই চিন্তা । তারপরও তাকে ছুটতে হয়, চাকরী করতে হয়, মনটা ঠিকই পড়ে থাকে তার সন্তানের কাছে । আমার ছেলের সাথে ওর ছেলেও পড়ে একই স্কুলে । ও এক জন ব্রিটিশ মহিলা । একটা স্কুলে চাকরি করে তাই যে কোনও সময় চাইলেও বের হতে পারবে না।

আমি ফোনটা রাখতেই ছেলে ফোন দিল, মা তুমি কি আমাদের নিতে আসবে? আমি বললাম, তোমারা পার্কিং এ আসো, আমি তোমার স্কুলের গেটে চলে এসেছি । ও ফোন কেটে দিলো।আমি কিছু দূর যাওয়ার পর ওদের তিনজনকে দেখতে পেলাম । পার্কিং এ গাড়ি দাঁড় করালে ওরা তিনজন হাসি দিয়ে ব্যাগগুলি গাড়ীর পেছনে রেখে গাড়ির ভিতরে এসে বসলো । আমার ছেলের সাথে আমাদের গ্রাম থেকে আরও দুইটা বাচ্চা এই স্কুলে আসে । একজন জ্যামাইকান ব্রিটিশ, অন্য বাচ্চাটি ব্রিটিশ বাচ্চা আর আমার ছেলে । ওরা গাড়ীতে উঠেই আমাকে হাই বলে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলা শুরু করে দিল । আমি পার্কিং থেকে বের হচ্ছি আর ওদের কথা শুনছি, মাঝে মাঝে ওদের কথা শুনলে আমার খুব অবাক লাগে । আমরা যখন ১২ বছর বয়সে ছিলাম তখন কি এতো কঠিন করে কিছু চিন্তা করতাম??

আজকে নিউজে প্রাইম মিনিষ্টার ইংল্যান্ড থেকে স্কটল্যান্ডকে আলাদা হতে না বলেছে, ওরা সেই বিষয়টা নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করছে । মাত্র ১২ বছর বয়সে এরা কত সচেতন ! স্কটল্যান্ড আলাদা হলে কি কি সমস্যা দুই পক্ষের হবে নানা ধরনের কথা । আমি কথাগুলি শুনছিলাম আর ভাবছিলাম এই ব্রিটিশরাই একদিন ভারতবর্ষকে খন্ড খন্ড করেছিলো আর আজ তাদের নিজেদের দেশেই সেই ভাঙ্গনের হাওয়া লেগেছে । প্রথম ভাঙ্গন শুরু হল আয়ারল্যান্ড স্বাধীন হয়ে, তারপর নর্থ আয়ারল্যান্ডে আন্দলোন শুরু হল । আজ এক দুই বছর ধরে স্কটল্যান্ড শুরু করেছে । হঠাৎ করেই ওরা জার্মানী নিয়ে কথা বলা শুরু করলো । একজন আরেকজনকে জিজ্ঞাসা করছে জার্মান টিচারটা কেমন?

আমার ছেলেটা জার্মানীতে জন্ম নেওয়ার কারনে মনে হয় একটু জার্মান প্রীতি আছে । এখানকার বাচ্চাদের যে কোনও একটা ভিন্ন ভাষাকে বিষয় হিসাবে নিতে হয় । আমার ছেলে জার্মান নিয়েছে । অন্য দুইটা ছেলেও জার্মান ভাষা নিয়েছে । জার্মানীর শিক্ষা ব্যবস্থা খুব ভাল । ওদের কোনও টিউশন ফি নেই তাই ইউরোপের বিভিন্ন দেশ থেকে ভাল রেজাল্ট করা ছেলেমেয়েরা জার্মান বিশ্ববিদ্যালয়ে দরখাস্ত করে । হঠাৎ করেই ছেলেটা আমাকে বললো মা তোমার খুব কষ্ট হয়ে গেলো তাই না? আমি খুব সরি । ও সব সময় বাংলায় কথা বলে আমাদের সাথে । আমাদের সাথের এই ছেলেগুলিও এখন অনেক বাংলা শব্দ বোঝে । কারন আমি সব সময় আমার ছেলেকে স্কুলে দিতে আসি তখন ওরাও আমার সাথে আসে । ছেলেগুলি চাইলে একসাথে ট্রেনে আসতে পারে কিন্তু আমার ছেলেকে আমি নিজেই দিতে আসি । ওরা জানে সকালে কখন আমরা বের হব, তাই ওরাও মাঝে মাঝে আমার সাথে আসে । আগে ওরা খুব অবাক হয়ে যেত, আমি কিভাবে নিস্বার্থভাবে সব সময় ওদের নিয়ে আসি আর নিয়ে যাই!

এখন এই গ্রামের বেশিরভাগ মানুষরা এই বাঙালি পরিবারকে চিনে ফেলেছে । তাই ওরা সবাইকে বলে বাংলাদেশিরা খুব সহজ সরল ভাল মানুষ হয় । মানুষ যেখানেই বসবাস করুক না কেন তাকে তার নামে না, তার দেশ দিয়ে চেনে । তাই-তো রানা প্লাজার ঘটনায় সবাই আমাকে বলেছিল, তাদেরও খুব খারাপ লাগছে । প্রাইমার্ক কাজটা ঠিক করেনি।

আমরা যারা বিদেশে থাকি তারা সবাই নিজের দেশের পতাকা নিয়ে থাকি । সেটা কারো ইচ্ছায় হোক আর অনিচ্ছায় হোক । তাই একজন ভাল কিছু করলে তার নিজের নামের আগে দেশের নাম হয় । ঠিক একইভাবে একজন মানুষের খারাপ কাজের জন্য তার দেশের বদনাম হয় । আমি আমার ছেলে মেয়েকে এই জন্য বলি তোমরা যত দূরেই যাও-না কেন তোমাদেরকে ব্রিটিশ বাংলাদেশি নামেই সবাই চিনবে কারন তোমার বাবা-মা একজন বাংলাদেশী । তাই তোমাকে বাংলাদেশের ইতিহাস জানতে হবে, বাংলা ভাষাকে জানতে হবে । যে নিজের অস্বিত্ব সম্পর্কে জানে না, তাকে কেউ সন্মান করে না । আমি চেষ্টা করছি, জানি না কতটুকু ছেলেমেয়েরা নিতে পারবে । একটা সময় আমাদের বাবা-মা আমাদের শিখিয়েছিলেন আমরা কতটুকু নিতে পেরেছি আজ নিজে সেই হিসাব করি । আমি জানি একদিন এরাও সেই হিসাব করবে । অনেকেই ছেলে হলে খুশি হয়, মনে করেন ছেলে তো নিজের কাছে থাকবে । মেয়ে পরের বাড়ী চলে যাবে । আসলে কেউ কি থাকে, নাকি থাকতে পারে? পড়াশুনা, তারপর জীবিকার তাগিদে এক সময় তাকে বাড়ি থেকে বের হতে হয় । তারপর একদিন সে তার নিজের বাড়ি করে । সেই বাড়িতে তার দায়িত্ব বাড়তে থাকে । মেয়ে যখন পর হয়, তখন মনে সান্তনা পাওয়া যায় কিন্ত ছেলে যখন ব্যস্ততার কারনে সময় দিতে পারে না তখন সবাই পরের বাড়ী থেকে আসা মেয়েটির দোষ দিয়ে নিজেরা সান্তনা পাওয়ার চেষ্টা করেন।

আসলেই কি কেউ কাউকে বাঁধা দিতে পারে? সময়, দ্বায়িত্ব একসময় বড় বাঁধা হয়ে দাঁড়ায় । তাই আমারা চাইলেও এই আগামীকালকে আটকে রাখতে পারবো না । প্রতিটা মা-ই একসময় নিজের মা-কে ভুলে নিজের বাচ্চাদের ভাল-মন্দ চিন্তা করা শুরু করে । তারমানে কি ওই মা বিবেকহীন মানুষ? আমার মা-ও এক সময় অনেক নানা বাড়ীতে যেতেন, একসময় সেই যাওয়া কমতে কমেতে বছরে এক বার হয়ে গেল । কারণ আমাদের স্কুল খোলা থাকলে আম্মা যেতে পারতেন না । আজ আমিও ঠিক সেই কাজটা করছি । আর আমার আম্মা আমার নানির মত অপেক্ষার প্রহর ঘুনছেন । আজকের কাছে আমার গতকাল পিছিয়ে পড়েছে । একদিন আমি আমার ছেলেমেয়ের পথ চেয়ে থাকবো আর ছেলেমেয়ে তাদের জগতের ব্যস্ততায় ব্যস্ত হয়ে যাবে । আমি কি তখন ভুল বুঝবো? এখন মাঝে মাঝে মনে হয়, আমার যখন বিয়ে হয়েছিল, তখন আমি  অনেক কেঁদেছিলাম, সেই কান্নাটার পেছনে কি ছিল? আব্বা-আম্মাকে ছেড়ে আসার কষ্ট নাকি আগামী কালটি কেমন হবে সেই ভয়, আশংকায় কেঁদেছিলাম? নিজের এই পরিবর্তনগুলি চিন্তা করেই নিজেকে মনে মনে গুছিয়ে ফেলি আর সামনের কষ্টকে হজম করার শক্তি সঞ্চয় করি । কারণ এটা একটা চক্র, আমরা চাইলেও কেউ এই চক্র থেকে বের হতে পারবো না আবার ছেড়ে না দিয়ে কোন কিছু ধরেও রাখতে পারবো না । চক্রের এই চক্রান্ত আমাদের হাসি মুখে মেনে নিতেই হবে।

আরও জানুন » স্বপ্নের মালাপুঞ্জ »

লেখাটি আপনার কেমন লাগলো তা আমাদেরকে অবশ্যই জানাবেন। আপনার মতামত আমাদের কাছে খুবই মূল্যবান। আপনি যদি আপনার নিজের লেখা কবিতা, গল্প, প্রবন্ধ বা অন্য যেকোনো বিষয় বাঙালিয়ানা Magazine এ প্রকাশ করতে চান, তবে আমরা অত্যন্ত আনন্দের সাথে আপনার লেখা প্রকাশে সচেষ্ট হব । আগ্রহীদের এই ইমেইল ঠিকানায় bangalianamagazine@gmail.com যোগাযোগের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হল । Copy করা কোন লেখা পাঠাবেন না। দয়া করে আপনাকে নিশ্চিত করতে হবে যে, আপনার পাঠানো লেখাটি অনলাইনে আগে কোথাও প্রকাশিত হয়নি। যদি অনলাইনে আগে অন্য কোথাও আপনার লেখাটি প্রকাশিত হয়ে থাকে, তাহলে আমরা সেটা প্রকাশ করতে পারব না। আমরা অরাজনৈতিক, অসাম্প্রদায়িক এবং নিরপেক্ষ।
বিঃ দ্রঃ লেখাটি কোনরকম পরিমার্জন ব্যতিরেকে সম্পুর্ণ লেখকের ভাষায় প্রকাশিত হল। লেখকের মতামত, চরিত্র এবং শব্দ-চয়ন সম্পুর্ণই লেখকের নিজস্ব । বাঙালিয়ানা Magazine প্রকাশিত কোন লেখা, ছবি, মন্তব্যের দায়দায়িত্ব বাঙালিয়ানা Magazine কর্তৃপক্ষ বহন করবে না।

Comments

comments