অলৌকিক চাকতি

0
848
Print Friendly, PDF & Email

(১)

সময়, সকাল ৭টা ঘড়ির ঢং ঢং শব্দে আবিরের ঘুম ভাঙল । আবির সিলেটের একটি স্কুলে class-10 এ পড়ে । আবির রহস্য ভালবাসে এবং বৈজ্ঞানিক চিন্তাধারা সমপন্ন একটি সাহসী ও বুদ্ধিমান ছেলে । ঘুম থেকে উঠে সব রকম কাজ সেরে আবির স্কুলের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়ে । স্কুলের বারান্দায় গিয়ে দেখে ওর বন্ধু রুপম , টোকন আর রবিন যেন কি নিয়ে কথা বলছে । ওদের কাছে যেতেই রবিন বলল , জানিস আবির আজকের পত্রিকায় বেশ বড় শিরোনামে একটা খবর বেরিয়েছে ।  শিরোনামটা অনেকটা এরকম “ বিখ্যাত বাঙালি বিজ্ঞানী মনিরুজ্জামান খান তার সারা পৃথিবীতে আলোড়ন সৃষ্টীকারী আবিষ্কার ‘থাণ্ডার ফ্লাস বোল্ড’ সহ রহস্যজনক ভাবে উধাও” । আবির বলল , বলিস কি ? তা এই ঘটনা ঘটেছে কখন ? টোকন বলল , ধারণা করা হচ্ছে কাল রাত থেকে । এমন সময় ক্লাস এ যাওয়ার ঘণ্টা বাজলো । তখন আবির বলল ok তোরা সব আজ বিকালে রবিনদের বাগানের পাশের ঐ ছোট্ট টিলা টার কাছে আসিস । ওখানেই কথা হবে । ঐ দিন বিকালে আবির নিজের কথা মত সবার আগে গিয়ে পৌছাল টিলাটার কাছে । বন্ধুদের আসতে দেরি দেখে আবির টিলার আশেপাশে সামান্য পাইচারী করা শুরু করল । হঠাৎ ওর পায়ে যেন কিসের সাথে ধাক্কা লাগে । বিরক্ত হয়ে নিচের দিকে তাকাতেই ও দেখতে পায় মাঝারী সাইজের ধাতব চাকতি সদৃশ কিছু একটা ওর পায়ের কাছে উপুড় হয়ে পড়ে আছে ।

 

চাকতিটিকে হাতে তুলে নিয়ে ও দেখতে পায় ওটার গায়ে বিচিত্র সব আঁকি-বুঁকি রয়েছে । প্রত্নতত্ত্বের উপর মোটামোটি ভালই জ্ঞান থাকায় ও চাকতিটিকে ভালভাবে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দেখতে লাগল । কিন্তু হঠাৎ একটা জিনিষ বুঝতে পেরে আবির খুব বড় একটা ধাক্কা খেল আর তা হল …….. এরূপ সাংকেতিক চিহ্ন্  পৃথিবীর কোন সভ্যতার ইতিহাসে আজ ও আবিষ্কৃত হয়নি । আবার চাকতিটিটা ও খুব উজ্জ্বল এবং ধাতুটাও বিচিত্র ধরনের । একটা খুবই উদ্ভট চিন্তা ওর মাথায় ভর করল । ওর একবার মনে হল , এটা পৃথিবীর বাইরের কোন জিনিস নয় তো ? কিন্তু পরক্ষণেই চিন্তাটাকে মাথা থেকে বের করে দিল আর মনে মনে ভাবল তার প্রিয় লেখক জাফর ইকবাল স্যারের science fiction গুলো পড়েই হয়ত এমন কাল্পনিক চিন্তাটা এসেছে মাথায় । ভাবতেই ওর ঠোটের কোণে একটা আলতো হাসির রেখা ফুটে উঠল ওর অজান্তেই । এমন সময় ওর বন্ধুরা আসলে আবির ওদের দেখাল চাকতিটা । ওরা ওটা দেখে নানা রকম মন্তব্য করতে লাগল । এরপর সন্ধ্যার আঁধার নেমে এলে ওরা যে যার বাড়ি চলে এল । বাড়ি ফিরে আবির আবার চাকতিটা ভালভাবে পরীক্ষা করতে লাগল আর ওর মনে নানা প্রশ্নের উদয় হতে লাগল । যেমনঃ এই চাকতিটা ওখানে কিভাবে এল ? কারাই -বা এটাকে ওখানে এভাবে ফেলে গেল ? আর এর উপর এই সাংকেতিক চিহ্নগুলই বা কিসের ? সিলেটের এই বাড়ি থেকে যে রাতে মনিরুজ্জামান খান রহস্যজনক ভাবে উধাও হলেন তার ঠিক পরদিনই কেন এই বিচিত্র চাকতিটাকে পাওয়া গেল যেটাকে কিনা পৃথিবীর কোন জিনিষ বলেই মনে হচ্ছে না ? আর এত সব প্রশ্নর উত্তর খুজতেই আবির পরদিন কাউকে কিছু না বলে একা একাই গেল সেই টিলার কাছে যেখানে ও এই বিচিত্র দর্শন চাকতিটাকে পেয়েছিল ।  চাকতিটার রহস্য উদঘাটন করার আশায় নতুন কোন clue খুঁজে বের করার জন্য আবির টিলার চারপাশে ভালভাবে দেখতে লাগল । হঠাৎ আবিরের মনে হল যেনও চাকতিটা থেকে দু’বার খুব ক্ষীণ দু’টি বিপ বিপ আওয়াজ শুনতে পেল । কিন্তু পরক্ষনেই চিন্তাটাকে মনের ভুল ভেবে মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলে দিল । কিন্তু আর দুই পা সামনে এগোতেই ও বিষ্মিত হয়ে দেখল যে ওর সন্দেহটাই বাস্তবে রূপ নিয়েছে এবং চাকতিটা থেকে সত্যি সত্যিই বিপ বিপ আওয়াজ বের হচ্ছে । এরপর আবির মনের খেয়ালেই টিলার পেছনে ওদের আবিষ্কৃত গুহাটার দিকে এগোতে লাগল আর বিস্ময়কর ভাবে দেখল যে ও যতই গুহার দিকে এগোচ্ছে বিপ বিপ আওয়াজটা ততই জোরাল থেকে জোরালোতর হচ্ছে । এভাবে এগোতে এগোতে আবির যখন গুহার একদম ভেতরে প্রবেশ করল , ঠিক তখনই বিচিত্র চাকতিটা থেকে একটা উজ্জ্বল নীল আলো বেরিয়ে চারিদিকে ছেয়ে গেল । আবিরের কানে হঠাৎ বিচিত্র ধরনের শব্দ আসতে লাগল যেগুলো জোরাল থেকে জোরালোতর হচ্ছিল । হঠাৎ আবিরের মাথাটা কেমন যেন ঝি্ম ঝিম করতে লাগলো আর কিছুক্ষণের মধ্যেই আবির জ্ঞান হারাল ।

(২)

একটি ক্ষীণ কিন্তু তীক্ষ্ণ শব্দে যখন আবিরের জ্ঞান ফিরল তখন সে নিজেকে সম্পু্র্ন নতুন এক দুনিয়ায় আবিষ্কার করল।সে চারিদিকে তাকিয়ে দেখে অদ্ভুত আকৃতির বাড়িঘর , রাস্তাঘাট । সারা আকাশ জুড়ে উড়ে বেড়াচ্ছে অসংখ্য ‘ফ্লাইং সসার’ । একটু উঠে দাড়িয়ে চারিদিক দেখতে লাগলে এক স্থানে Digital clock -এ আবির দেখতে পেল তারিখটা 21.12.2165 আবির তখন বর্তমান পরিস্থিতি ও তার সাথে কি কি ঘটেছে সেগুলো সবমিলিয়ে নেয়ার চেস্টা করল । ওর আর বুঝতে বাকি রইল না যে গুহার মধ্যে অন্ধকারে যা ছিল সেটা আর কিছুই নয় বরং একটা ‘টাইম মেশিন’, যাতে চড়ে আবির সময়ের ‘প্রেজেন্ট ডাইমেনশন’ থেকে ‘ফিউচার ডাইমেনশন’ – এ চলে এসেছে ।

আর ঠিক তখনই ওর সেই বিচিত্র চাকতিটার কথা মনে পড়ে গেল । মনে পড়তেই দেখে ওটা পাশেই পড়ে আছে । তবে মজার ব্যাপার হল, ফিউচার ডাইমেনশনে কিন্তু আর সেই নরমাল চাকতিটা নেই বরং পরিণত হয়েছে একটি ছোট ‘Supercomputer’ -এ । আবির যখন ফিউচার ডাইমেনশনের অদ্ভুত প্রানিদের দেখল তখন ওর কাছে ঘটনাটা অনেকটাই পরিষ্কার হয়ে গেল । আবির বুঝতে পারল যে এই ‘টাইম মেশিন’ আর অদ্ভুত চাকতি আসলে এই ভীনগ্রহীদের-ই ফেলে যাওয়া । ওর তখন মনে হতে লাগল, হয়ত ঐ বিচিত্র চাকতিটা সময়ের ‘প্রেজেন্ট ডাইমেনশন’ – এ নিষ্ক্রীয় থাকলেও ‘ফিউচার ডাইমেনশন’ – এর কোন মেশিন এর সংস্পর্শে আসলে সক্রিয় হয়ে ওঠে । আর এ জন্যই ‘টাইম মেশিন’ -এর রেঞ্জের মধ্যে চাকতিটা সক্রিয় হয়ে উঠেছিল । হয়ত এমনটাও হতেপারে যে এরাই বিখ্যাত বিজ্ঞানী মনিরুজ্জান খান কে রহস্যজনক ভাবে তুলে এনেছে পৃথিবী থেকে । আর তাড়া হুড়া করে ফিরে আসার সময় ভুল করে ফেলে গেছে এই অদ্ভুত চাকতি । যার কারনে ঐ টাইম মেশিনটা আর চালু করতে না পারায় ওটাকে ফেলে আসতে বাধ্য হয়েছিল আর লুকিয়ে রেখেছিল ঐ ছোট্ট গুহাটার ভেতরে । তখন আবির ছোট্ট super computer টা operate করার চেষ্টা করল আর দেখে বিষ্মিত হল যে , এই ভীনগ্রহীরা পৃথিবীর ভাষাও জানে কারন computer টি আবিরের জানা প্রোগ্রামীং ভাষাতেই প্রোগ্রাম করা । তাই ওটা operate করতে খূব বেশি একটা বেগ পেতে হল না আবিরকে । Computer থেকে আবির জানতে পারল যে ওর ধারণাটি সঠিক ছিল । এই অদ্ভুত প্রানিগুলো আসলে আমাদের গ্যালাক্সী ‘মিল্কিওয়ে’র সবথেকে ভয়ানক এলিয়েন যারা ‘ট্রন’ নামে পরিচিত । এদের বসবাস পৃথিবী থেকে ‘9 Astronomical U nit’ দুরত্বে অবস্থিত শনি গ্রহের এক অনাবিষ্কৃত উপগ্রহ ‘H-665’ -এ এদের ইতিহাস ঘেটে আবির আরও জানতে পারল যে,এ রা ইতোমধ্যে বাইরের কয়েকটি গ্যালাক্সীতে বুদ্ধিমান প্রানির সন্ধান চালিয়েছে এবং ১৫টি বুদ্ধিমান প্রানির বসবাস উপযোগী গ্রহে আক্রমন চালিয়ে তাদের সভ্যতা ধ্বংস করে দিয়েছে, ট্রনেরা আধিপত্য বিস্তার করেছে সেই সব গ্রহগুলোতে । ট্রনদের জীবণধারন কৌশল ও মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে তথ্য খুঁজলে আবির জানতে পারল যে, এরা ও অক্সিজেন গ্রহণ করে বাঁচে, তবে এদের সহজেই মৃত্যু হয় না । এদের মৃত্যুর একমাত্র কারণ হল ‘থাণ্ডার’ নামক এক অতিব তেজষ্ক্রিয় কণা ।

ভিন্ন গ্রহ

আবিরের কাছে তখন রহস্য পরিষ্কার হতে লাগল কারণ এই ‘থাণ্ডার’ কণা আর কিছুই নয় বরং বিজ্ঞানী মনিরুজ্জামান খানের সদ্য আবিষ্কৃত 141 -নং মৌল, যেটা কিনা ‘থাণ্ডারফ্লাস বোল্ড’ নামক মারণাস্ত্রের প্রধান উপাদান । এই ‘থাণ্ডার’ কণা মহাবিশ্বের মাত্র দুজায়গায় পাওয়া গেছে, যার একটি এদের নিজেদের গ্রহের মাটিতে আর অপরটি সাম্প্রতিক কালে পৃথিবীতে আবিষ্কৃত হয়েছে । আর তাই ট্রনেরা আকষ্মিকভাবে পৃথিবীতে নেমে এসে মনিরুজ্জামান খানের আবিষ্কার ‘থাণ্ডার ফ্লাস বোল্ড’ সহ তাকে রহস্যজনক ভাবে তুলে নিয়ে গেছে । আর ওদের টার্গেট এখন পৃথিবীর সভ্যতাকে ধ্বংস করে দেয়া কারণ ওরা কোন ঝুঁকি নিতে চায় না । আবির হঠাৎ দেখল কয়েকটা ট্রন ওর দিকেই এগিয়ে আসছে । আবির ভয়ে লুকোতে গেল কিন্তু দেখে অবাক হল যে ট্রনেরা ওকে দেখেও দেখল না । পরে Computer-এর মাধ্যমে জানতে পারল যে আবির ‘প্রেজেন্ট ডাইমেনশন’-এর স্পিসিস হওয়ায় ট্রনেরা ওকে দেখতে পায়নি তবে ‘অপটিক্যাল ফাইভার’-এর ‘সেন্সর গ্লাস’ দ্বারা ওকে দেখা যাবে । আবির তখন ফিউচার ডাইমেনশনের যেকোন মেশিন operate করতে পারার মত ক্ষমতাসম্পন্ন ঐ super computer – এর সাহায্যে একটি ‘ফ্লাইং সসার’ operate করে মনিরুজ্জামান খানের অবস্থান computer -এ track করে গোপনে সেই উদ্দেশে যাত্রা শুরু করল । কিন্তু পথে ট্রনদের তৈরী ‘স্ন্সেরিক পাওয়ার লাইট’-এর আওতায় পড়ে যাওয়ায় সব জায়গায় বিপদ সংকেত বেজে উঠল । ট্রনেরা সক্রিয় হয়ে উঠল ‘প্রেজেন্ট ডাইমেনশন’ -এর এই অদৃশ্য শত্রুকে ধরে নিশেঃষ করার জন্য ………………………

(৩)

কিন্তু শেষ পর্যন্ত আবির মনিরুজ্জামান খানের কাছে পৌছাতে পারল । ওখানে পৌছে আবির super computer টা দিয়ে ট্রনদের ‘সিকিউরিটি সিস্টেম’ hack করল এবং মনিরুজ্জামান খানকে উদ্ধার করল । তখন মনিরুজ্জামান খানের পরিকল্পনায় ট্রনদের আবিষ্কৃত ‘সুপারসনিক স্পিড সসার’ -এ করে মনিরুজ্জামান খান ও আবির রওনা দিল ট্রনদের ‘Main control tower’  -এর উদ্দেশে । ওদিকে বাইরে তখন ট্রনেরা চালু করেছে অত্যাধুনিক ‘লেসার ফ্লেইস সিস্টেম’ যার আওতায় পড়লে মৃত্যু সুনিশ্চিত । ওদিকে মনিরুজ্জামান খান ও আবির তখন ট্রনদের ‘Main control tower’ -এ পৌছে দশটি পৃথিবী ধ্বংস করে দিতে পারারমত ক্ষমতা সম্পন্ন ‘থাণ্ডার ফ্লাস বোল্ড’ স্থাপনকরে ‘সুপার সনিক স্পীড সসার’ -এ করে আবির যে ‘টাইম মেসিন’ -এ করে এসেছিল তার উদ্দেশে রওনা দিল । সেখানে পৌছে ওরা ‘টাইম মেসিনে’ করে ‘প্রেজেন্ট ডাইমেনশন’ -এর উদ্দেশে রওনা দিল । এদিকে কিছুক্ষনের মধ্যেই ‘থাণ্ডার ফ্লাস বোল্ড’ -এ মনিরুজ্জামান খানের প্রোজেক্টড টাইম অনুযায়ী প্রচন্ড এক explosion হল । আর সেই সাথে ধ্বংস হয়ে গেল ট্রনদের সেই বিচিত্র জগৎ আর সেই সাথে তাদের সকল পরিকল্পনা ।

(৪)

সবকিছু ধ্বংসের পর বিজ্ঞানী মনিরুজ্জামান খান ও আবির আবার যখন পৃথিবীতে সময়ের ‘প্রেজেন্ট ডাইমেনশন’ -এ ফিরে এল তখন পূর্বের নিয়ম অনুযায়ী super computer টি পুনরায় সেই বিচিত্র চাকতিতে পরিণত হল । তখন আবির অপলক দৃষ্টিতে চেয়ে রইল সেই বিচিত্র চাকতিটার দিকে আর ভাবতে লাগল , কী অলৌকিক ক্ষমতাটাই না ছিল এই বিচিত্র চাকতিটার যার জন্য আমদের এই সুন্দর পৃথিবীটা আজ অল্পের জন্য বেঁচে গেল অকল্পনীয় এক বিপদের হাত থেকে ।

বিঃ দ্রঃ লেখাটি কোনরকম পরিমার্জন ব্যতিরেকে সম্পুর্ণ লেখকের ভাষায় প্রকাশিত হল। লেখকের মতামত, তথ্য উপস্থাপন, চরিত্র এবং শব্দ-চয়ন সম্পুর্ণই লেখকের নিজস্ব । বাঙালিয়ানা Magazine প্রকাশিত কোন লেখা, ছবি, মন্তব্যের দায়দায়িত্ব বাঙালিয়ানা Magazine কর্তৃপক্ষ বহন করবে না।

লেখাটি আপনার কেমন লাগলো তা আমাদেরকে অবশ্যই জানাবেন। আপনার মতামত আমাদের কাছে খুবই মূল্যবান। আপনি যদি আপনার নিজের লেখা কবিতা, গল্প, প্রবন্ধ বা অন্য যেকোনো বিষয় বাঙালিয়ানা Magazine এ প্রকাশ করতে চান, তবে আমরা অত্যন্ত আনন্দের সাথে আপনার লেখা প্রকাশে সচেষ্ট হব । আগ্রহীদের এই ইমেইল ঠিকানায় bangalianamagazine@gmail.com যোগাযোগের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হল । Copy করা কোন লেখা পাঠাবেন না। আমরা অরাজনৈতিক, অসাম্প্রদায়িক এবং নিরপেক্ষ।

আরও জানুন » বিশ্ব কাঁপানো ১০টি ঘটনা, যার আসল রহস্য হয়তো কখনোই জানা যাবে না »

Comments

comments